জাকিয়া সুলতানা প্রীতি

“নতুন জানার যেমন আনন্দ আছে,তেমনি কষ্টও আছে”-ক্রিস্টোফার মর্লি!!

আমাদের বাংলাদেশ দিন দিন উন্নত থেকে উন্নততর হচ্ছে। আমাদের  অনেক গুলো খাত ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ আইটি নির্ভর হয়ে গিয়েছে। তবে এদিক থেকে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা একটু পিছিয়ে  আছে। আমাদের এই শিক্ষা ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজড করার জন্য অনলাইন সহপাঠি নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে।

অনলাইন সহপাঠী’- বাংলাদেশে প্রশ্নোত্তর ভিত্তিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। যেখানে সরাসরি শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বইয়ের যেকোনো সমস্যাবলী সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারবে এবং পেয়ে যাবে সমাধানও। এই ই-লার্নিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে— “উন্নত এবং মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা”

বর্তমানে শিক্ষার্থীদের অনেকটা সময় চলে যায় কোচিং সেন্টারের পিছনে। আবার বাড়িতে পড়ার সময় দেখা গেলো কোনো একটি টপিকে সমস্যা হচ্ছে। আর এই টপিক বোঝার জন্য তাকে পরের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। শিক্ষার্থীদের এই মূল্যবান সময় যেন নষ্ট না হয় সেই উদ্দেশ্যেই অনলাইন সহপাঠীর যাত্রা শুরু।

এটি শিক্ষার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি ‘সুইস আর্মি নাইফ’ এর মত কাজ করছে। যেখানে সব সমস্যার একটি সাধারণ সমাধান থাকবে। এটি শিক্ষাব্যবস্থার (মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, বিশ্ববিদ্যালয়) গুরুত্বপূর্ণ এবং সংকটপূর্ণ বিষয়ের বিশ্লেষণধর্মী সমাধানের প্ল্যাটফর্ম। আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে সেসব সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধানের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে অনলাইন সহপাঠী।

বর্তমানে শিক্ষা ক্ষেত্রে যে ৪টি সমস্যা প্ল্যাটফর্মটি চিহ্নিত করেছে তা হলো— অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ধারাবাহিকতার অভাবে ড্রপ-আউটদের সংখ্যা বাড়ছে; কোচিং সেন্টার এবং প্রাইভেট টিউশন এর কোন স্থায়ী সমাধান না হওয়া; ই-লার্নিং এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপর্যাপ্ত বণ্টন এবং শিক্ষার স্বকীয়তা নিশ্চিত না হওয়া।

উপরের সমস্যাগুলো সক্রিয় এবং পরিপূর্ণ তথ্যবহ উপায়ে সমাধান করার জন্য ‘Keep asking enjoy learning’ স্লোগান নিয়ে অনলাইন সহপাঠী নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত শেখার সু্যোগ পৌছে দিতে অনলাইন সহপাঠীর নতুন সংযোজন ‘অনলাইন টিউটর সার্ভিস’।

বাংলাদেশের শিক্ষাপদ্ধতিকে শহরকেন্দ্রিক আবহ থেকে বের করে আনতে এখন ভার্চুয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে শিক্ষার মাধ্যম করে তোলা একটি বড় সমাধান বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এটি সামাজিক জীবনকে যেমনিভাবে সহজ করে দিয়েছে এবং বৈশ্বিক দূরত্বকে কমিয়ে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে, ঠিক তেমনি লেখাপড়ার ক্ষেত্রেও এটি কাজে লাগিয়ে দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীরাও মান-সম্মত পাঠদানে অংশ নিতে পারে। মফস্বলে বসে উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টিউটর সেবা পেলে তারাও সমান উদ্যমে চলমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবে।

 

আবার কোচিং ব্যবসার যুগে টাকার ছড়াছড়ির পরিবর্তে স্বল্প ব্যয়ে শিক্ষা সেবা নেয়ার অন্যতম মাধ্যম অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেই বেছে নিয়েছে ‘অনলাইন সহপাঠী’। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে মেসেজ, অডিও এবং ভিডিও কলের মাধ্যমে সহজেই সেবা নিতে পারবে।

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে ক্লিক করুন www.onlinesohopathi.com

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here